কিভাবে নিজের ওয়েবসাইটের পণ্যের মার্কেটিং করতে পারেন এবং পণ্যের বিক্রির হার বৃদ্ধি করতে পারেন?

shape
shape
shape
shape
shape
shape
shape
shape
Content Writing Services in Chennai

মনে করুন আপনার চমৎকার কিছু প্রোডাক্ট রয়েছে। সুন্দর সুন্দর কন্টেন্ট তৈরি করে নিজের ওয়েবসাইট সাজিয়েছেন, বেশ ভাল ভাল ছবি দিয়েছেন এবং পণ্যের বর্ণনা আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরেছেন। অপেক্ষায় আছেন শুধু বিক্রির। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় সব ধরনের প্রস্তুতি ঠিকঠাকভাবে থাকার পরও ওয়েবসাইটে ট্রাফিক জেনারেট করা এবং নিয়মিত বিক্রি করা সম্ভব হয় না শুধুমাত্র ওয়েবসাইটের সঠিক এবং উপযুক্ত মার্কেটিং এর অভাবে। আপনি যদি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন তাহলে সমস্যাটা আপনার ক্ষেত্রে আরও প্রকট হয়ে দাঁড়াবে। কারণ এক্ষেত্রে আপনার প্রধান চ্যালেঞ্জিং পার্টটা হয়ে দাঁড়াবে পণ্যের বিপণন এবং প্রচারণার অংশটি।

এখন আমরা এখানে দেখাতে চেষ্টা করব কীভাবে আপনি এই চ্যালেঞ্জটা ওভারকাম করতে পারেন। তো চলুন দেখে নেয়া যাক কোন কোন উপায়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের কার্যকরী মার্কেটিং করতে পারেন এবং পণ্য বিক্রির হার বৃদ্ধি করতে পারেন।

উপায় নম্বর এক- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব উপস্থিতি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব উপস্থিতি
  • ফেসবুক একাউন্ট,ফেসবুক ফ্যানপেজ এবং লাইভ ভিডিওঃ চেষ্টা করুন আপনার ফেসবুক প্রোফাইলের ফলোয়ার বাড়াতে। সবচেয়ে ভাল হয় একটা ফেসবুক পেজ খুলে ছোটখাট একটা বুস্ট দিয়ে নিলে। এতে করে আপনি টার্গেট অডিয়েন্সের কাছে খুব সহজেই পৌঁছাতে পারবেন। আর নিয়মিত আপনার ফেসবুক প্রোফাইল এবং পেজে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পণ্যের লিংক শেয়ার করুন। বর্তমান সময়ে লাইভ ভিডিও অনেক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকে তার পেইজ বা গ্রুপ এ লাইভ ভিডিও র মাদ্ধমে তার কাস্টমারদের সাথে সরাসরি তার পণ্য বা সার্ভিস এর প্রচারনা করছেন। এটা খুবই কার্যকরি একটি পদ্ধতি।
  • ইউটিউবঃ ইউটিউবেও আপনার ব্যবসার জন্য একটা চ্যানেল খুলতে পারেন। সেখানে আপনার প্রোডাক্টের রিভিউ, কাস্টমার ফিডব্যাকের ভিডিও রেগুলার আপলোড করতে থাকুন। ইউটিউব ভিডিওর লিংকগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করতে ভুলবেন না।
  • LinkedIn: লিংকডিনেও আপনার ব্যবসার একটি প্রোফাইল খুলে রাখুন। নিয়মিত পণ্যের লিংক শেয়ার করবেন এবং ব্যবসার তথ্য আপডেট করে রাখবেন।
  • টুইটারঃ টুইটারে ব্যবসার একাউন্ট খুলে রাখুন। নিয়মিত পণ্যের লিংক, ভিডিও, রিভিউ শেয়ার করুন। চেষ্টা করুন একাউন্টের ফলোয়ার বাড়ানোর।
  • ইন্সটাগ্রামঃ বর্তমানের অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইন্সটাগ্রামেও ব্যবসার একটা একাউন্ট খুলে রাখতে ভুলবেন না। ছবির কোয়ালিটি ভাল হওয়ায় বেশ ভালভাবেই গ্রাহকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হবেন এবং চাইলে পণ্যের ছোটখাটো ভিডিও-ও আপলোড করতে পারবেন।

ছোট্ট একটা বিষয়ে ভুলে গেলে চলবে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে একাউন্টগুলো একটার সাথে আরেকটা এড করে রাখবেন। এটাকে বলে সেলফ প্রমোশন। কেন মিস করবেন?

উপায় নম্বর দুই- কন্টেন্ট, কন্টেন্ট এবং কন্টেন্ট

কন্টেন্ট, কন্টেন্ট এবং কন্টেন্ট
  • গেস্ট ব্লগ পোস্ট এবং কমেন্টঃ বিভিন্ন ব্লগে এবং ফোরামে আপনার ব্যবসার সাথে যায় এরকম কোনো পোস্টে গেস্ট হিসেবে নিজের পণ্যের লিংক শেয়ার করতে পারেন এবং এভাবে ব্লগ ও ফোরামগুলোর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর সংখ্যা বাড়াতে পারেন।
  • ভাইরাল ভিডিওঃ নিজের পণ্যের সাথে রিলেটেড ইন্টারেস্টিং বা চমকপ্রদ কোনো টপিক নিয়ে ভিডিও তৈরি করতে পারেন যেটা জনসাধারণের উপর একটা পজিটিভ প্রভাব ফেলবে। তবে খেয়াল রাখবেন যেন ভিডিওর দৈর্ঘ্য দুই-তিন মিনিটের চেয়ে বেশি না হয়ে যায়।
  • ব্লগে লেখালেখিঃ আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত ব্লগগুলোতে আপনার প্রোডাক্টের রিভিউ এবং পণ্য তৈরির পেছনের গল্প লিখতে পারেন। চেষ্টা করুন নিয়মিত হবার। ব্লগের সাবস্ক্রাইবারদের নিয়মিত আপডেট পাঠানোর চেষ্টা করুন।
  • কন্ট্রোভার্সিয়াল কন্টেন্টঃ একটু কৌশলী হয়ে আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত নেগেটিভ অথবা আক্রমণাত্মক কোনো আলোচনা শুরু করে দিতে পারেন। করতে পারেন কন্ট্রোভার্সিয়াল পোস্ট। তবে এক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকতে হবে যেন ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠিত কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হয়ে গেলে এই কন্ট্রোভার্সিকে কাভার করতে পারেন।
  • ইমেইল এবং এসএমএস মার্কেটিংঃ ইমেইল মার্কেটিং অত্যন্ত কার্যকরী একটি পন্থা হতে পারে। একটিভ ইমেইল যোগাড় করার চেষ্টা করুন এবং ডেটাবেইজে সংরক্ষণ করুন। পাবলিক ফোন নাম্বারও যোগাড় করতে পারেন যাতে করে এসএমএসের মাধ্যমে মার্কেটিং করতে পারেন।

উপায় নম্বর তিন- অনলাইনভিত্তিক পেইড বিজ্ঞাপন

অনলাইনভিত্তিক পেইড বিজ্ঞাপন
  • ফেসবুক বিজ্ঞাপনঃ ফেসবুক বিজ্ঞাপন আপনার ব্যবসার ক্ষেত্রে অন্যতম ফলপ্রসূ একটা পদক্ষেপ হতে পারে। কারণ এখানে সম্ভাবনাময় ক্রেতাদের সংখ্যাটা থাকে অনেক বেশি। টার্গেট অডিয়েন্স সেট করে দিয়ে কয়েকটা প্রোডাক্টের পোস্ট বুস্ট করে দিলে সাথে সাথে বেশ কিছু সেলস পেতে পারেন, একইসাথে আপনার ফেসবুক পেজের ফলোয়ার বাড়বে দ্রুতগতিতে।
  • গুগল অ্যাডসঃ গুগল অ্যাডস নিজের ওয়েবসাইট এবং পণ্যের মার্কেটিং করার সহজতম উপায়। একইসাথে সেল এবং ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়বে এবং সার্চে ইঞ্জিনে খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইটকে তখন খুঁজে পাওয়া যাবে।
  • বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনঃ প্রতিষ্ঠিত ব্লগ, বিজনেস, সংবাদপত্রের ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন সেকশনেও আপনার ওয়েবসাইট এবং পণ্যের বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। যা আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর এবং পণ্যের সেল দুটোই বাড়িয়ে দেবে।

উপায় নম্বর চার- সার্চ ইঞ্জিনভিত্তিক মার্কেটিং

সার্চ ইঞ্জিনভিত্তিক মার্কেটিং
  • এসইও: সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশনকে অনলাইন মার্কেটিংয়ের প্রাণ বলা যেতে পারে। আপনার ওয়েবসাইটকে এসইও করিয়ে নিন যত দ্রুত সম্ভব। এতে করে সার্চ ইঞ্জিনগুলোর র‍্যাংকিংয়ে আপনার ওয়েবসাইট এবং পণ্যের লিংক আগে আগে আসবে।
  • অ্যানালিটিক্সের ব্যবহারঃ আপনার ওয়েবসাইটের ইউজারদের মনিটর করার সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে গুগল অ্যানালিটিক্স ব্যবহার করা। এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার কোন পণ্যগুলোর পোস্ট, ভিডিও অথবা রিভিউ মানুষ বেশি দেখছে। যার উপর ভিত্তি করে আপনি আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
  • কম্প্যারিজন শপিং সাইটের ব্যবহারঃ যেসকল ওয়েবসাইটগুলো বিভিন্ন সাইট থেকে পণ্য তুলে এনে তুলনা করে সেই সকল ওয়েবসাইটগুলোতে নজর রাখুন। দেখুন কীভাবে আপনার পণ্যগুলোকে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তারপর সেরকমভাবে ব্যবস্থা নিন। কারণ সম্ভাবনাময় ক্রেতাগুলো এই ধরনের সাইটের উপরেই বেশিরভাগ সময় নির্ভর করে থাকে।
  • ইউজার ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইটঃ আপনার ওয়েবসাইটটি যেন মোবাইল ফ্রেন্ডলি হয় এই বিষয়টা খেয়াল রাখুন। কারণ বেশিরভাগ মানুষ এখন ব্রাউজিং ডিভাইস হিসেবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। তবে অন্যান্য ডিভাইসের জন্যও আপনার ওয়েবসাইট অপ্টিমাইজড করতে ভুলবেন না।

উপায় নম্বর পাঁচ- পাবলিক রিলেশন

পাবলিক রিলেশন
  • প্রোডাক্ট রিভিউঃ কাস্টমারের প্রোডাক্ট রিভিউ অথবা কোনো সাইট থেকে পেইড রিভিউ নিয়ে ওয়েবসাইটে দেখানোর ব্যবস্থা করতে পারেন। আপনার সম্ভাব্য কাস্টমার এতে করে আপনার পণ্যের উপর ভরসা করতে পারবে।
  • মিডিয়ার ব্যবহারঃ নিজের ব্যবসা এবং ওয়েবসাইটের একটি প্রেস রিলিজ করুন, মিডিয়াকে ইনফর্ম করুন। আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর জ্যামিতিক হারে বাড়তে থাকবে।
  • ব্যতিক্রমধর্মী পণ্যঃ স্রোতের বিপরীতে গিয়ে ভিন্ন এবং ইউনিক কোনো পণ্য নিয়ে কাজ করতে পারেন। যেটা আপনার ওয়েবসাইট এবং ব্যবসা অন্যদের থেকে আলাদা করবে। এবং তখন সহজেই মার্কেটিং হয়ে যাবে কারণ মার্কেটিং তখন করবে মানুষ, মুখে মুখে প্রশংসা করে।
  • প্রভাবশালীদের সাক্ষাৎকারঃ আপনার ব্যবসার সাথে জড়িত একই ধরনের প্রভাবশালী ব্যবসায়ী এবং ব্যক্তিত্বের সাক্ষাৎকার নেয়ার এবং ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার ব্যবস্থা করুন। ওয়েবসাইটে বেশ কিছু ভিজিটর বেড়ে যাবে।
  • অন্যান্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের গল্পঃ আপনার ওয়েবসাইটে অন্যান্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সংগ্রাম এবং সফলতার গল্প প্রকাশ করতে পারেন। সাধারণ মানুষ এই ধরনের গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়, এর ফলে বাড়তি কিছু ভিজিটরও পেয়ে যাবেন!

উপায় নম্বর ছয়- অফলাইন মার্কেটিং

অফলাইন মার্কেটিং
  • লোকাল বিজনেস নেটওয়ার্কঃ লোকাল এরিয়ায় আপনার মত অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সাথে ভাল যোগাযোগ রাখুন। তাদের সাথে ভাল সম্পর্ক রাখুন। সময় সুযোগ করে তাদের ওখানে নিজের পণ্য এবং ব্যবসার প্রচারণা চালান।
  • বিভিন্ন মেলাঃ ছোট, বড় সব ধরনের মেলায় সুযোগ থাকলে অংশগ্রহণ করুন। সম্ভবপর হলে আপনার সকল ধরনের পণ্য মেলায় দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করুন।
  • সভা সেমিনারে অংশগ্রহণঃ আপনার ব্যবসা সম্পর্কিত বিভিন্ন সভা সেমিনারে অংশগ্রহণ করুন। সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ এক্টিভিটিতে নিজেকে জড়িত রাখার চেষ্টা করুন। তাহলে ভাল লিংক তৈরি করার সুযোগ পাবেন।
  • পাইকারী বিক্রিঃ সম্ভব হলে খুচরা বিক্রির পাশাপাশি পাইকারী বিক্রিরও চেষ্টা করুন। খুচরা বিক্রেতাদের নিয়মিত সাপ্লাই দিন। একসাথে অনেক পরিমাণে সেল হওয়ার ফলে পার আইটেমে লাভ কম আসলেও গড়পড়তায় ভাল লাভ আসবে। সাথে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের সাথে ভাল লিংকও তৈরি হবে।
  • সেলস টিমঃ আপনার প্ল্যান অনুযায়ী ছোট অথবা বড় সেলস টিম তৈরি করতে পারেন। তবে এই টিমকে আগে অবশ্যই প্রশিক্ষিত করে নেবেন। সেলস টিমগুলো থেকে প্রায়শই ভাল সেল পাওয়া যায়।

উপায় নম্বর সাত- প্রচলিত মার্কেটিং

প্রচলিত মার্কেটিং
  • ফেরি করে বিক্রিঃ যদি দরকার পড়ে, মানুষের বাড়ি বাড়ি যেয়েও বিক্রি করতে কুণ্ঠাবোধ করবেন না। নিজের পণ্যের গুণাগুণ তুলে ধরুন। অবশ্যই কিছু সেল পাবেন।
  • পত্রিকায় বিজ্ঞাপনঃ বহুল প্রচারিত দৈনিকগুলোতে আপনার বাজেট অনুযায়ী বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইটের লিংক উল্লেখ করতে ভুলবেন না। লোকাল পত্রিকাগুলোতেও বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। এতে করে এলাকাভিত্তিক আপনার পণ্যের একটি ভাল বিপণন হবে।
  • ইভেন্ট স্পন্সরঃ আপনার ব্যবসা সংক্রান্ত কোনো ইভেন্ট অথবা এলাকাভিত্তিক কোনো ইভেন্টে স্পন্সর করতে পারেন। এতে করে ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীর আপনার ব্যবসা সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করবে। আপনার ব্যবসা এবং ব্যবসার ওয়েবসাইট দুটোরই ভাল বিজ্ঞাপন হয়ে যাবে এতে করে।
  • আউটডোর বিজ্ঞাপনঃ আপনার ব্যবসার ওয়েবসাইটের লিফলেট তৈরি করে আপনার ব্যবসা সংক্রান্ত কোনো ইভেন্ট অথবা এলাকায় ছড়িয়ে দিতে পারেন। ছড়িয়ে দিতে পারেন আপনার কোনো প্রোডাক্টের অফারও। বাজেট থাকলে ব্যানার অথবা ছোটখাটো বিলবোর্ডের কথাও মাথায় রাখতে পারেন।

আরও যা যা করতে পারেন

  • ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলিঃ আপনার বন্ধুবান্ধব এবং পরিবার আপনার সবচেয়ে কাছের জায়গা। আপনি নিশ্চিন্তে তাদের কাছে আপনার ব্যবসার প্রচারণা চালাতে পারেন এবং তাদের কাছে অনুরোধ করতে পারেন যেন তারা আপনার ওয়েবসাইটটি সম্পর্কে তাদের পরিচিতদের কাছে প্রচার করে। সবাই হয়ত পারবে না, তবে কাজ হবে।
  • মার্কেটপ্লেসে বিক্রিঃ অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে সম্ভাব্য ক্রেতার আনাগোনা সবচেয়ে বেশি থাকে। এখানে আপনার পণ্যগুলো তুলে ধরুন। খুব সহজেই বেশ কিছু সেল পেয়ে যেতে পারেন এবং ওয়েবসাইটের ভিজিটরও পেয়ে যেতে পারেন।
  • কুপন কোডঃ বিভিন্ন ইভেন্ট অথবা উৎসব উপলক্ষ্যে কুপন কোড অথবা ডিস্কাউন্ট অফার রাখতে পারেন। মানুষ অধিকাংশ সময়ে এই ধরনের অফারের অপেক্ষায় থাকে। আপনার সেল বহুগুণে বেড়ে যাবে। এছাড়া নিয়মিত ক্রেতাদের জন্যেও ডিস্কাউন্ট, অফার রাখতে পারেন।
  • অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংঃ বর্তমানে মার্কেটিং এর অন্যতম জনপ্রিয় একটি মাধ্যম হচ্ছে অ্যাফিলিয়েটেড মার্কেটিং। যেখানে আপনি অন্যদের মাধ্যমে খুব সহজেই নিজের পণ্যের অ্যাফিলিয়েটেড মার্কেটিং করতে পারবেন। আপনার সেল এবং প্রচারণা দুই-ই সহজ হয়ে যাবে।
  • ইন্ডাস্ট্রিতে ভাল সম্পর্ক স্থাপনঃ আপনার ব্যবসার সাথে জড়িত সকল ধরনের মানুষের সাথে ভাল ও আন্তরিক ব্যবহার বজায় রাখার চেষ্টা করুন। এতে করে পরস্পর একে অপরের কাজে আসতে পারবেন। এবং মিউচুয়ালি একজন আরেকজনের মার্কেটিংও আপনাআপনি হয়ে যাবে।
  • ট্রেন্ডের সাথে চলাঃ কোন ধরনের পণ্য ক্রেতারা বেশি কিনছে, বয়সভিত্তিক কোন পণ্যের চাহিদা কেমন এই ব্যাপারগুলো মাথায় রেখে মার্কেটিং পলিসি করা উচিৎ। অন্যথায় সব পরিকল্পনা মাঠে মারা যাবে কারণ আপনার সেল থাকবে অনেক কম।
  • রিটার্ন বা রিফান্ড পলিসিঃ আপনার পণ্যের রিটার্ন এবং রিফান্ড পলিসি রাখার চেষ্টা করুন। এটা বিশ্বস্ততা অর্জনে অনেক বড় ভূমিকা পালন করবে। আপনি যেহেতু নতুন, আপনাকে হুট করে বিশ্বাস করার কোনো কারণ ক্রেতার নেই। এই রিটার্ন এবং রিফান্ড পলিসিই এক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।
  • ধৈর্য্য ধরুনঃ অনলাইন ব্যবসায় আপনি একদিনে বড়লোক হয়ে যাবেন এরকম ভাবাটা বোকামি। সবকিছু ঠিকমত পরিকল্পনা করুন, ঠিকঠাক সেগুলোর বাস্তবায়ন করুন, কঠোর পরিশ্রম করুন এবং অশেষ ধৈর্য্য রাখুন। সফলতা ধরা দিতে বাধ্য।

শেষে বলব, হঠাৎ করে একদিনে আপনি এই প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজের অনলাইন ব্যবসা দাড় করাতে পারবেন না। প্রথম যে জিনিসটা আপনার দরকার, সেটা হলো ব্র্যান্ড ইমেজ। সাধারণ মানুষ যেন আপনার সার্ভিস এবং পণ্যের গুণগত মানের উপর নির্ভর করতে পারে এই বিশ্বাসটা আপনাকে অর্জন করতে হবে। যেটি মোটেও সহজ কোনো কাজ হবে না। আপনাকে অনেক সংগ্রাম করতে হবে। তবে একবার এই বিশ্বাসটা অর্জন করতে পারলে আপনার ব্যবসার ব্র্যান্ড ইমেজ দাঁড়িয়ে যাবে এবং সফলতার পথটাও অনেক সংক্ষিপ্ত হয়ে আসবে। এজন্য ধৈর্যের সাথে লেগে থাকুন, সাফল্যের ছোঁয়া আপনি পাবেনই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *